জন্মতারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে

 

বিয়ে মানুষের জীবনে একটি পবিত্র সম্পর্ক । দুইজন মানুষ বিয়ের মাধ্যমে একটি পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়, এর পাশাপাশি তাদের দুই পরিবারও একটি বন্ধনে আবদ্ধ হয় ।প্রত্যেকেই চান একটি সুন্দর জীবন গড়তে এবং সঠিক জীবনসঙ্গীর হাত ধরে নতুন পথচলা শুরু করতে ।

জন্মতারিখ-অনুযায়ী-বিবাহ-কবে-হবে

কিন্তু আমরা কেউই বলতে পারব না, আমাদের জীবনে সেই সঠিক মানুষ এবং সঠিক সময়টি কবে আসবে । অনেকে মনে করে জ্যোতিষ শাস্ত্র বলে বলে দিতে পারবে, সেই সঠিক সময়টি কবে আসবে কিন্তু আসলে কি তাই?

পেজ সূচিপত্রঃ জন্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে

জন্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে

বিবাহ শব্দটি তিন শব্দের হলেও এটির মধ্যে  আবেগ ,মায়া, ভালোবাসা ,দায়িত্ব , বিশ্বাস এই সবগুলো অনুভূতি মিলে একটি বিবাহ সম্পর্ক সম্পূর্ণ হয়। বিবাহ নিয়ে অনেকের মনে অনেক কৌতূহল তৈরি হয় অনেক আবেগ তৈরি হয় এবং চিন্তা ভাবনা পরিকল্পনা করে একটি বিবাহ সম্পন্ন করা হয়। বিয়ে শুধু দুইজন ব্যক্তির মধ্যে নয় এটি দুইটি পরিবারের মধ্যে হয়ে থাকে  , এটি দুইটি পরিবারের সম্মান এবং মর্যাদার ওপর নির্ভর করে। কথায় আছে - জন্ম , মৃত্যু ও বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে ।

 আরে  এই তিনটি বিষয় নিয়ে আমাদের মনে অনেক প্রশ্নের তৈরি হয় এর মধ্যে বিশেষ করে বিয়ে নিয়ে অনেকের মনে নানা ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয় - যেমন লাভ না অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ । যদি ভালোবেসে বিয়ে হয় তাহলে সেটি সবাই মানবে কিনা ? আবার পরিবারের পছন্দ হয় তাহলে দুইজনের বোঝা পড়া মিলবে কিনা? আবার অনেকেই এর বিপরীতে চিন্তা করে যেমন কেউ কেউ মনে করে পছন্দ করে বিয়ে করলে সংসার জীবন সুখের হবে আবার কেউ ভাবে পরিবারের পছন্দে বিয়ে করলে সংসার জীবন সুখের হবে আবার কেউ অনেকে বিয়ে নিয়ে জ্যোতিষদের প্রশ্ন করেন , তারা ভাবেন জ্যোতিষশাস্ত্র বলে দিতে পারে যে একজন ব্যক্তির বিয়ে  কবে হবে , কিন্তু আসলে কি সত্যি তাই?

বিয়ে করার সঠিক বয়স সীমা

বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী বিয়ের নূন্যতম বয়স ১৮ বছর । এর নিচে কোন ছেলে ও মেয়ের বিবাহ হলে সেটি বাল্যবিবাহ বলে গণ্য হয়।  এবং আইন অনুযায়ী এটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। আবার চিকিৎসার শাস্ত্র ও বৈজ্ঞানীদের গবেষণার দিকে লক্ষ্য করলে বলা যায় - মানসিক পরিপক্কতা ,আর্থিক সচ্ছলতা ও দায়িত্ববোধ অর্জনের জন্য ২৫ থেকে ৩২ বছর বয়স বিয়ের জন্য উপযুক্ত সময় হতে পারে।

এই সময় একজন ছেলে তার জীবনসঙ্গির দায়িত্ব নিতে মানসিকভাবে ও আর্থিকভাবে প্রস্তুত থাকে । আবার একজন মেয়ের ক্ষেত্রেও সংসার জীবনকে সে সুন্দরভাবে গড়তে  পারে এবং পাশাপাশি সে তার পড়াশোনা শেষ করে কর্মজীবন শুরু করে তার জীবনসঙ্গীকে সাহায্য করতে পারে।

বিয়ে একটি সামাজিক বন্ধন

শুধুমাত্র বিয়ের মাধ্যমেই একটি ছেলে ও মেয়ে বৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে সামাজিকভাবে স্বীকৃতি অর্জন করতে পারে । যার মাধ্যমে পরিবার গঠিত হয় এবং সমাজের শৃঙ্খলা বজায় থাকে। বিয়ে শুধু দুটি ব্যক্তির মধ্যে সম্পন্ন হয় না বরং এটি সামাজিকভাবে তাদের দুই পরিবারের মধ্যেও হয়ে থাকে, কারণ মানুষ সামাজিক জীব । এই বিয়ের মাধ্যমে দুজন ব্যক্তি নতুন পরিবার, নতুন দায়িত্ব ও নতুন সম্পর্ক পেয়ে থাকে। বিবাহ সামাজিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়ার পাশাপাশি ধর্মীয়ভাবে স্বীকৃতি  পেয়ে থাকে।

মুসলিম রীতিতে বিবাহ

বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী ছেলেদের বিবাহ বয়স ২১ ও মেয়েদের ১৮ বছর অতএব মুসলিম রীতিতে বিবাহ করতে হলে তাদের উপযুক্ত বয়সসীমার মধ্যে থাকতে হবে । বর ও কোণের পারস্পরিক সম্মতি ও দুই পরিবারের স্বীকৃতিতে একটি পবিত্র বন্ধন । বিয়ের প্রথম ধাপ হলো , যেখানে বর ও কনের পরিবার পরিবারের ব্যক্তিরা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হয় ।

এবং যদি দুই পরিবারের ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদা মূল্যবোধ মানসিকতার মিল থাকে তাহলে তারা পারে সম্মতির মাধ্যমে বিবাহের সম্বন্ধ করতে পারে  যেহেতু আমরা মুসলিম বিবাহ নিয়ে কথা বলছি সুতরাং মুসলিম বিবাহ বিবাহের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম-নীতি অনুসরণ করতে হয় যেমন পারস্পারিক সম্মতি সাক্ষী উপস্থিতি দেনমোহন নির্ধারণ কবুল আইনগত নিবন্ধন ও অলিমা এগুলো  প্রত্যেকটি বিবাহ কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে খুবই প্রয়োজন।

হিন্দু রীতিতে বিবাহ

বাঙালি হিন্দু বিয়ের পেছনে লুকিয়ে রয়েছে তাদের নিয়ম রীতিনীতি , সংস্কৃতি ও গভীর ভালোবাসা । হিন্দু রীতি বিবাহ মুসলিম রীতি বিবাহের চেয়ে একটু আলাদা হয়ে থাকে । হিন্দু বিবাহের ক্ষেত্রে ছেলেমেয়েদের গোত্র, জাতি , কুন্ডালি মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। হিন্দু বিবাহের ক্ষেত্রে ছেলেমেয়েদের কুণ্ডলী বা জন্মের সময়, নক্ষত্র এবং গ্রহের স্থানের উপর ভিত্তি করে আঁকা হয় ।

যেকোনো ম্যাচের সর্বাধিক পয়েন্ট ৩৬ এবং ম্যাচের ন্যূনতম পয়েন্ট ১৮ হতে হবে । যদি কোন ম্যাচিং ১৮ পয়েন্টের নিচে হয় তাহলে সেই বিয়েটি শুভ বিয়ে হিসেবে গণ্য হবে না । হিন্দু বিবাহের ক্ষেত্রে ৮ ধরনের বিবাহ পরিলক্ষিত হয় যেমন- ব্রাহ্মণ বিবাহ, দৈববিবাহ  ,  প্রাজ্যপাত্য  বিবাহ , গান্ধর্বর বিবাহ, অসুর বিবাহ, রাক্ষস বিবাহ, পৈশাচ বিবাহ। সনাতন ধর্মের বিয়ের প্রতিটি আচার অনুষ্ঠান , লগ্ন , গায়ে হলুদ , শুভদৃষ্টি , কন্যাদান  ,মালা বদল, সাত পাক ও সিঁদুর দানের মাধ্যমে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়ে থাকে। 

পার্সোনাল ইয়ার নাম্বার কি

পার্সোনাল কেয়ার নাম্বার হলো এমন একটি সংখ্যা যা জন্ম তারিখ জন মাস এবং বর্তমান বছরের যোগফল দ্বারা নির্ধারিত হয় । এটি আপনার রাশিচক্রের সাথে সম্পর্কিত । এই পার্সোনাল ইয়ার নাম্বার আপনার জীবনে এক বছরের কাজের শক্তি , নতুন কিছু শিখা বা করার অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয় । এক বছরের জীবনে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এর ভূমিকা ব্যাপক । এটি আপনার মানসিক শক্তি ব্যক্তিগত উন্নতির মূল হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে থাকে ।এই সংখ্যা বুঝে জীবনকে আরো সচেতন ভাবে পরিকল্পনা করা যায়।

পার্সোনাল ইয়ার কিভাবে নির্ণয় করতে হয়

পার্সোনাল ইয়ার গণনা খুবই সহজ উপায় রয়েছে এই ব্যক্তিগত বছরের সংখ্যা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আপনি আপনার ভবিষ্যতের সম্ভাবনা ও উন্নতির হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগাতে পারবেন আপনার জীবনের সকল সঠিক সিদ্ধান্ত আপনি বুদ্ধিমত্তা ও ধৈর্যের সাথে নিতে পারবেন এটি একটি নয় বছরের চক্রের অংশ যেখানে প্রতিটি বছর একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বহন করে প্রথমে আপনার জন্ম মাস ও জন্ম তারিখ যোগ করুন এরপর বর্তমান বছরের সংখ্যা গুলো যোগ করুন তারপর সংখ্যা গুলোর ফলাফল  যোগ করে  একক (১-৯) অংকে নামিয়ে নিয়ে আনুন।

উদাহরণ যদি জন্ম তারিখ ১১ জানুয়ারি হয় তবে, (১+২=৩) হবে এবং বর্তমান বছর ২০২৬ (২+০+২+৬=১০) তাহলে (১+২+১০=১৩ ) (১+৩=৪) ২০২৬ হবে ব্যক্তিগত বছর ৪ এবং এই ৪ অঙ্কের  ব্যক্তিগত সংখ্যা দ্বারা তার বৈশিষ্ট্য হবে - কঠোর পরিশ্রম  ,শৃঙ্খলা ও ভিত্তি স্থাপনের বছর।

১ থেকে ৯ জন্মতারিখ অনুযায়ী  মুলাঙ্ক তাৎপর্য ও ব্যবহার

১ থেকে ৯ মূলংক সংখ্যার প্রতিটি আলাদা আলাদা তাৎপর্য ও ব্যবহার রয়েছে। এবং তাদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা গ্রহ রয়েছে এবং এই গ্রহগুলো  ব্যক্তিজীবনে প্রকোপভাবে প্রভাব বিস্তার করে। একজন মানুষের স্বভাব তার ব্যক্তিত্ব তার সাফল্য কর্মজীবনে সে কতটা আগ্রহী কতটা ধৈর্যশীল এগুলো সবকিছুই মুলাঙ্ক দ্বারা নির্ধারণ করা থাকে। জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয় ভাগ্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে মুলাঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।জ্যোতিষ শাস্ত্রে বলা হয়ে থাকে , ১ থেকে ৯ মুলাঙ্ক জন্ম তারিখ অনুযায়ী ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। এবং এই মুলাঙ্ক  প্রত্যেকটা ব্যক্তির জীবনে আলাদাভাবে প্রভাব বিস্তার করে ।

১ মুলাঙ্ক জন্ম তারিখ (১,১০,১৯,২৮) অনুযায়ী ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য

 ১,১০,১৯,২৮ জন্ম তারিখ  ব্যাক্তিদের মুলাঙ্ক হচ্ছে ১ । এবং এই ১ মুলাঙ্ক গ্রহের রাজা হচ্ছে সূর্য। এরা নেতৃত্ব আত্মবিশ্বাসী শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে থাকে এরা স্বাধীনচেতা ও অনেক সময় যেতে স্বভাবের হয়ে থাকে কোন সিদ্ধান্ত নিলে সেটিতে তারা অটল থাকে এদের শুভ সংখ্যা ১,৪,১০ হয় । শুভ দিন রবিবার ও সোমবার । শুভ রং হলুদ , সোনাল,  কমলা হয়ে থাকে। তাদের কথাবাত্রা স্পষ্ট থাকে তারা নির্ভয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারেন।

২ মুলাঙ্ক জন্ম তারিখ (২,১১,২০,২৯,) অনুযায়ী ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য

২,১১,২০,২৯, অনুযায়ী ব্যক্তিদের  মুলাঙ্ক হচ্ছে ২। এবং এই ২ মুলাঙ্ক গ্রহের রাজা হচ্ছে চন্দ্র। এরা খুবই দয়ালু ও সহানুভূতিশীল হয়। তারা অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে না পারার কারনে দুর্বলতায় ভোগে। এরা নিজেদের পরিবারকে খুবই ভালোবাসেন এবং নিজেদের পরিবারের সাথে তারা থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করে ।এদের শুভ সংখ্যা হল ১, ২, ৪,৭। এদের শুভ দিন সোমবার, রবিবার ও বৃহস্পতিবার। এদের প্রিয় রং হল সাদা ও সবুজ।

৩ মুলাঙ্ক জন্ম তারিখ (৩,১২,২১,৩০,) অনুযায়ী ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য

৩,১২,২১,৩০,অনুযায়ী ব্যক্তিদের  মুলাঙ্ক হচ্ছে ৩ ।এবং এই ৩ মুলাঙ্ক গ্রহের রাজা হচ্ছে বৃহস্পতি। এরা স্বাধীনভাবে জীবন-যাপন করতে বেশি ভালোবাস। নিজের সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ডে  অন্য কারো হস্তক্ষেপ তাদের পছন্দ হয় না । এই ব্যক্তিরা খুবই সাহসী ও বুদ্ধিমান হয়ে থাকে । তারা সবসময় ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করে থাকে। তারা অপ্রয়োজনীয় কাজে অর্থ ব্যয় করতে চায়না । এদের শুভ সংখ্যা ৩,৬,৯।এদের শুভ দিন বৃহস্পতিবার এদের প্রিয় রং লাল, নীল ,বেগুনি, হলুদ।

৪ মুলাঙ্ক জন্ম তারিখ (৪,১৩,২২,৩১,) অনুযায়ী ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য

৪,১৩,২২,৩১অনুযায়ী ব্যক্তিদের  মুলাঙ্ক হচ্ছে ৪।এবং এই ৪ মুলাঙ্ক গ্রহের রাজা হচ্ছে রাহু এরা প্রচুর পরিমাণে পরিশ্রমী ও বাস্তববাদী হয় ।জীবনকে তারা নিয়ম-শৃংখলার মধ্যে রাখতে বেশি পছন্দ করেন তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেদের মানিয়ে নেয় এবং প্রতিকূলতার সাথে মোকাবেলা করেন কারণ তারা হার মানতে শিখেনি তারা নিজেদের মতো কাজ করতে বেশি পছন্দ করেনএদের শুভ সংখ্যা ৪,১,২,৭। এদের পছন্দের রং ধূসর বাদামী নীল হয়ে থাকে।

৫মুলাঙ্ক জন্ম তারিখ (৫,১৪,২৩) অনুযায়ী ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য

৫,১৪,২৩অনুযায়ী ব্যক্তিদের  মুলাঙ্ক হচ্ছে ৫।এবং এই ৫ মুলাঙ্ক গ্রহের রাজা হচ্ছে বুধ সারা জীবনের প্রত্যেকটি অধ্যায় নতুন কোন গল্প খুঁজে বেড়ান এদের সৃজনশীলতা ও স্বাধীনচেতা এদের জীবনকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যায় এরা নেতৃত্ব আত্মবিশ্বাসী শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে থাকে এরা স্বাধীনচেতা ও অনেক সময় জেডি স্বভাবের হয় কোন সিদ্ধান্ত নিলে সেটিতে তারা অটল থাকে । দ্রুত সিদ্ধান্ত ও কঠিন পরিস্থিতি নিয়ে বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে সকল সমস্যার সমাধান করেন এরা এদের মানসিক চাপ দূর করার জন্য ভ্রমণ নতুন অভিজ্ঞতা ও নিজেকে পরিবর্তন করে থাকেন তাদের প্রিয় সংখ্যা ৫,১,৩ ,৬  প্রিয় দিন বুধবার শুক্রবার রবিবার প্রিয় রং সাদা ধূসর সবুজ ।

৬ মুলাঙ্ক জন্ম তারিখ (৬,১৫,২৪) অনুযায়ী ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য

৬,১৫,২৪ অনুযায়ী ব্যক্তিদের  মুলাঙ্ক হচ্ছে ৬। এবং এই ৬ মুলাঙ্ক গ্রহের রাজা হচ্ছে শুক্র এরা সব সময় হাসিখুশি থাকতে পছন্দ করেন এরা সহজে সবাইকে আপন করে নিতে পারেন এদের ব্যক্তিত্ব খুবই আকর্ষণীয় হয়ে থাকে।

তারা সুন্দর জিনিসের ও ফ্যাশনের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা তারা বেশি পছন্দ করেন এদের আর্থিক অবস্থা ভালো থাকে এবং জীবনে অর্থের অভাব হয় না এদের প্রিয় সংখ্যা ৬,৫,৮,৩,৯ এদের পছন্দের রং সাদা হালকা নীল গোলাপি পছন্দের দিন শুক্রবার।

৭ মুলাঙ্ক জন্ম তারিখ (৭,১৬,২৫) অনুযায়ী ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য

৭,১৬,২৫ অনুযায়ী ব্যক্তিদের  মুলাঙ্ক হচ্ছে ৭।এবং এই ৭মুলাঙ্ক গ্রহের রাজা হচ্ছে কেতু ।এই মুলাঙ্কের  জাতিকারা কেতুর প্রভাবের কারণে বেশি কথা বলতে পছন্দ করে না তারা সবকিছু নিরিবিলি পর্যবেক্ষণ করেন এবং উপযুক্ত সময় তাদের মতামত প্রকাশ করেন তারা স্বাধীনচেতা স্বভাবের হয় তাদের কাল্পনিক শক্তি প্রচুর তীব্র হয় এদের অতিরিক্ত মোট সুইমিং হয় এবং মেজাজ পরিবর্তনের সমস্যা দেখা দেয় নিজের ভালোলাগা ও আবেগকে তারা সহজে কারো সামনে প্রকাশ করে না ভেঙ্গে পড়ার মতো না নিজেকে সামলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে তারা সক্ষম । প্রিয় সংখ্যা ১,২,৪,৫,৬। এদের প্রিয় রং হালকা হলুদ সাদা এদের প্রিয় দিন সোমবার ও বৃহস্পতিবার।

৮ মুলাঙ্ক জন্ম তারিখ (৮,১৭,২৬) অনুযায়ী ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য

৮,১৭,২৬অনুযায়ী ব্যক্তিদের  মুলাঙ্ক হচ্ছে ৮।এবং এই ৮ মুলাঙ্ক গ্রহের রাজা হচ্ছে শনি এই জাতকদের জীবনে শনির প্রভাব লক্ষণশীল হয় এরা শনির প্রভাবের কারণে জীবনের সাফল্য পেতে কিছুটা দেরি হয় এই ব্যক্তিরা অধিকাংশ প্রচুর পরিশ্রম হয় সকল পরিস্থিতিতে তারা ধৈর্যের সাথে কাজ করে থাকে এরা নিজেদের মনের কথা সহজে কারো সামনে প্রকাশ করে না এদের প্রিয় রং গারো নীল কালো ধূসর প্রিয় সংখ্যা ৮,১,৬ প্রিয় দিন শনিবার।

৯ মুলাঙ্ক জন্ম তারিখ (৯,১৮,২৭) অনুযায়ী ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য

৯,১৮,২৭অনুযায়ী ব্যক্তিদের  মুলাঙ্ক হচ্ছে ৯।এবং এই ৯ মুলাঙ্ক গ্রহের রাজা হচ্ছে মঙ্গল। এরা জন্মগতভাবে সাহসী এবং স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত ও একা কাজ করতে পছন্দ করেন । যে কোন কঠিন পরিস্থিতিতে তারা একাই  লড়াই করার সাহস রাখেন । তারা মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তাদেরকে একা ছেড়ে দেয় না । মঙ্গল গ্রহের প্রভাবে তাদের মেজাজ অনেক সময় উগ্র হয়ে থাকে ।এই জাতকরা নিজেদের  ভালোবাসার মানুষকে আগলে রাখতে পছন্দ করেন । তারা পরিবার ও পরিজনদের নিয়ে একসাথে থাকতে বেশি পছন্দ করেন। এই জাতকদের প্রিয় সংখ্যা ৩, ৬,৯ প্রিয় রং লাল মেরুন দিন মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার।

জ্যোতিষ শাস্ত্রে জন্মতারিখ অনুযায়ী বিবাহ যোগসূত্র সম্পর্কে ধারণা

জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী বিবাহ দুটি মানুষের জন্ম কুণ্ডলী দ্বারা নির্ণয় করা হয় ।ছেলেমেয়ে কুন্ডলি যদি ৩৬ গুন মিলে যায় তাহলে, সেই বিবাহকে শুভ বিবাহ বলে গণ্য করা হয় অর্থাৎ তাদের দাম্পত্য সংসার সুখের যাবে এটি ধারণা করা হয়। 

জন্মতারিখ-অনুযায়ী-বিবাহ-কবে-হবে

 জ্যোতিষ  শাস্ত্রের মতে যদি লগ্ন প্রতি সপ্তম স্থানে অবস্থান করে ,এবং জন্মপত্রে যদি কোন শুভ গ্রহ তার সাথে একাই অবস্থান করে থাকে তাহলে জাতিকার বিবাহ ভালো পরিবারে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । জন্ম কুণ্ডলী অনুযায়ী গ্রহের দশা ও বিভিন্ন যোগ বিচার করে বিবাহের সময় , জীবনসঙ্গীর প্রকৃতি এবং দাম্পত্য সুখ সম্পর্কে ধারণা করা যায়। কিন্তু কোন জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জ্যোতিষী এটা বলতে পারবেনা যে, কোন ব্যক্তির বিবাহ কবে হবে । এটি ব্যক্তির নিজের ভবিষ্যতের ভাগ্যের উপর নির্ভর করে।

উপসংহারঃ জন্মতারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে

জন্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে এটি কোন সুনির্দিষ্ট দিন ও তারিখ দেয়া সম্ভব না। জ্যোতিষ শাস্ত্র ও জ্যোতিষীদের মতে শুধুমাত্র একটি ধারণা প্রকাশ করা হয়েছে। লগ্ন অথবা কুন্ডলী দেখে শুধু মাত্র তার জীবনে সে কতটুকু সফলতা অর্জন করতে পারবে এবং কি কি বাধার সম্মুখীন হতে পারে এই সম্পর্কে বলা হয়েছে কিন্তু সে বিবাহ বন্ধনে কবে আবদ্ধ হবে এই সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন সমাধান দেয়া হয়নি তাই এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তির ভবিষ্যতের ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল । আর একজন সাধারন মানুষের পক্ষে কখনো ভবিষ্যৎ দেখা সম্ভব নয়।






এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সাগিরা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url