রাজশাহী কেন রেশম শিল্পের জন্য বিখ্যাত

 

বাংলাদেশ রেশম শিল্প একটি ঐতিহ্যবাহী শিল্প হিসেবে পরিচিত। রেশম পোকার গুটি চাষের পদ্ধতিকে সেরিকালচার বলা হই ।বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে চার ধরনের রেশম তৈরি হয়ে আসছে,যেমন- মালবেরি,  এন্ডই , মুগা, টগর। 

রাজশাহী -কেন-রেশম-শিল্পের-জন্য-বিখ্যাত

এর মধ্যে মালবেরি সবচেয়ে মূল্যবান।বাংলাদেশের রেশম শিল্পের মধ্যে রাজশাহী শহর অনেক জনপ্রিয় কারণ, এই রাজশাহী শহরে গড়ে উঠেছে রেশম শিল্প কারখানা এবং রেশম শিল্প গবেষণা ইনস্টিটিউট যা খুবই জনপ্রিয়।

পেজ সূচিপত্রঃ রাজশাহী শহর কেন রেশম শিল্পের জন্য বিখ্যাত

রাজশাহী  কেন রেশম শিল্পের জন্য বিখ্যাত

১৯০৫ সালে রাজশাহী মিরগঞ্জ ও বগুড়ায় দুটি রেশন বিজাগার প্রতিষ্ঠিত হয়।  কিন্তু পরবর্তীতে এর ওপর করার  নজর না দেওয়ায় ধীরে ধীরে এটি নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে। স্থানীয় কিছু মালিকানা এটি হাল ধরতে চাইলেও তারা পুরোপুরিভাবে সক্ষম হয়ে উঠতে পারেনি । এরপরে ১৯৭৪ সালের  রেশম শিল্পকে সমৃদ্ধ করার জন্য রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠিত করা হয় , বাংলাদেশ সিল্ক রিসার্চ ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউট বা  রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

 ১৯৭৭ সালের দিকে সেরিকালচার বোর্ড প্রতিষ্ঠা হলে রাজশাহী সিল্ক ফ্যাক্টরি বোর্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও চালিকাশক্তি হিসেবে রেশম শিল্পটি খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করে। ধারণা করা যায় , সেই সময় পঞ্চাশ হাজার শ্রমিক এই শিল্পের সাথে জড়িত ছিল। তাছাড়া ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড গঠন,  রাজশাহীতে প্রধান কার্যালয় স্থাপন, রেশম বোর্ডের সাথে রেশম গবেষণা ইনস্টিটিউট সংযুক্ত করণ প্রভৃতি বিষয় নিয়ে রেশম শিল্পের জন্য সেই সময়টি ছিল খুবই স্মরণীয় ও ঐতিহ্যময়। রেশম চাষের জন্য যে উপযুক্ত পরিবেশ ও আদ্রতার দরকার সে পরিবেশ এবং আদ্রতা রাজশাহী জেলায় অবস্থিত যার কারণে এখানে রেশন চাষ করা খুবই লাভজনক হয়ে থাকে। রাজশাহী অঞ্চলকে কেন্দ্র করে এই সিটি গড়ে উঠেছে তাই এটিকে সিল্ক সিটি নামেও অক্ষায়িত করা হয়।

রেশন চাষ পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া

রেশম চাষ করতে হলে তুত গাছের চাষ করতে হয় চাষ করতে হয় কারণ তুত গাছের পাতা খেয়ে রেশম জীবিত থাকে। রেশম চাষ একটি জটিল প্রক্রিয়া হলেও এটি আমাদের দেশের আবহাওয়া আদ্রতা ও জলবায়ুর সাথে অনেকাংশে মিলে যায় । যেহেতু রেশম এর শুয়োপোকার প্রধান খাদ্য হচ্ছে তুত পাতা ।তাই তুত পাতা ও তার কাঠের বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে তুত তিন ধরনের চাষ করা হয়ে থাকে । সাদা তুত , লাল তুত ও কালো তুত এই তিন ধরনের তুত গাছের রেশম পোকা চাষ করা হয়। রেশম পোকার কাছে সবচেয়ে পছন্দনীয় সাদা তুত । 

এই তুতক গাছগুলো একবার লাগালে ২০ থেকে ২৫ বছর তারা পাতা দিয়ে থাকে। তুত গাছ লাগানোর পরে আমরা যদি রেশম পোকা পালনের দিকে নজর দিই তাহলে আমাদের এই রেশম পোকার জন্য একটি ঘর তৈরি করতে হবে এবং এই ঘর মাটির তৈরি হতে হবে কারণ মাটি তৈরি দেয়ালে আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। ঘরের ছাদ কমপক্ষে ৩ মিটার থেকে ১০ মিটার উঁচু হতে হবে। ঘরের ছাউনি ঘরের হতে হবে এছাড়া বাতাস আসা-যাওয়ার জন্য দরজা অথবা জানালা করতে হবে।বাংলাদেশের যেকোনো আবহাওয়া ও তাপমাত্রায় তুতকীট  পালন করা সম্ভব। তবে ২১ ডিগ্রি থেকে ২৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা খুবই উপযোগী। 

আরো পড়ুনঃপাসপোর্ট কিভাবে চেক করে অনলাইনে

রেশন থেকে তৈরি বস্ত্র শিল্প ও কারখানা

রেশন থেকে তৈরি বস্ত্র খুবই অভিজাত ও আরামদায়ক হয়ে থাকে। রেশম সুতা দিয়ে তৈরি এই বস্ত্র প্রাচীন ও ঐতিহ্যপূর্ণ বস্ত্রশিল্প। রেশম বস্ত্র দ্বারা তৈরি কাপড় গুলো খুবই নরম হালকা এবং মানসম্মত হয় এই রেশম সুতা দিয়ে শাড়ি পাঞ্জাবি থ্রি পিস এবং বিভিন্ন মানসম্মত কাপড় তৈরি করা হয় যা এক একটি মাস্টারপিস হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 

যেসব সুতা দিয়ে তৈরি এসব কাপড় তাতে যখন বুনে তখন তারা এক একটা স্বপ্ন বুনে, তাদের নিরলস পরিশ্রম ও যোগ্যতা দিয়ে তারা এক একটি সারিকে মানসম্মতভাবে ফুটে তো যা ক্রেতার কাছে আগ্রহে বিষয় হয়ে ওঠে। বিষম শিল্প থেকে তৈরি বস্ত্রগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে যার কারণে এর কারখানা গুলো খুবই মনোমুগ্ধকর । বিশ্ব বাজারে রেশন শিল্পের চাহিদা ব্যাপক এটি আন্তর্জাতিকভাবে মুদ্রা অর্জনের জন্য ভূমিকা রাখে। যেহেতু রাজশাহী শহরে এর প্রধান কার্যালয় রয়েছে তাই রাজশাহী শহরের সপুরা সিল্ক খুবই জনপ্রিয়। এবং এর আশেপাশে অনেক কারখানা ও দোকান নির্মিত রয়েছে।

রেশম শিল্প গড়ে তোলার জন্য অনুকূল পরিবেশ ও মাটি

রাজশাহী শহর যেহেতু উত্তরবঙ্গে অবস্থিত আর উত্তরবঙ্গ শহরে জমি উর্বর এবং চাষ উপযোগী তার রেশম শিল্প চাষের জন্য রাজশাহী শহর খুবই উপযোগী এখানকার বাতাসে আদ্রতা ৬০ শতাংশ থেকে ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত যা রেশম শিল্প গড়ে তোলার জন্য খুবই উপকারী। গ্রীষ্মকালে উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ থাকে।

 তাই তাই ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেশম চাষ করার জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রা হয়ে থাকে। গ্রীষ্মকালে রেশম চাষের ক্ষেত্রে ৭ থেকে ১০ দিন পরপর জমিতে সেচ দিতে হয় শীতকালের ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১২ দিন পর পর জমিতে সেচ দিতে হয় এসব চাষের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। যেহেতু রেশন চাষ করতে হলে তুত গাছ লাগাতে   হয় কারণ তুত গাছের পাতা খেয়ে রেশম পোকা বড় হয়। তাই দোআঁশ ও বেলে  দোআঁশ মাটিতে তুত গাছ ফলন ভালো হয়।

দক্ষ শ্রমিক সরবরাহ সহজলভ্যতা

রেশম শিল্প চাষের জন্য দক্ষ শ্রমিক অত্যন্ত জরুরী । বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলের রেশম কারিগররা তাদের দক্ষতার পরিচয় বিশ্বব্যাপী ফুটিয়ে তুলেছে তারা তাদের মেধা ও শ্রম শক্তি দিয়ে একটি রেশমি সুতা দিয়ে মানসম্মত কাপড় তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। একজন দক্ষ শ্রমিক পারে, রেশম কিটের প্রধান খাদ্য তুঁতগাছ  রোপন ও পরিচর্যা করতে। 

তারা জানে, ডিম থেকে রেশম পোকা বড় করা ও কুকুন বা গুটি তৈরি করা ও সেদ্ধ করা গুটি থেকে রেশম সুতা বের করা এবং সুতায় মানসম্মত রং মিশিয়ে একটি মার্জিত শাড়ি অথবা পাঞ্জাবিতে পরিণত করা । এটি শুধুমাত্র একজন দক্ষ শ্রমিকের দাঁড়ায় সম্ভব যা লক্ষ্য করলে আমরা খুব সহজে রাজশাহী অঞ্চলের কারিগরদের মধ্যে দেখতে পায় এবং যেহেতু এটি একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যপূর্ণ শিল্প তাই এখানে শ্রমিক সহজে পাওয়া সম্ভব।

রেশম শিল্পে  ব্যক্তিমালিকানা গড়ে তোলার সুযোগ

বাংলাদেশের রেশম শিল্প সরকারিভাবে পরিচালনার পাশাপাশি ব্যক্তি মাঠকানা ভাবে গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। রাজশাহীকে কেন্দ্র করে এই ব্যক্তির  মালিকানাধীন রেশম প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থনীতি ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । ব্যক্তি মালিকানাধীন বা ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানগুলো অসংখ্য পাওয়ারলুম ও হ্যান্ডলুম কারখানায় অনেক মানসম্মত পাঞ্জাবি  ,শাড়ি  , থ্রি-পিস তৈরি করে থাকে। 

এই ব্যক্তি মালিকানায় গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যান্য শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছে পুরুষ এবং নারী দুইজনেই মিলে তুত-গাছ রোপন  , গুটি সংরক্ষণ , অন্যান্য কাজ করে তাদের জীবনযাত্রা মান উন্নত করে চলেছে। সরকারি কারখানার পাশাপাশি ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের শোরুম গুলো রেশম শিল্পের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ব্যাক্তি মালিকানা গড়ে তোলার জন্য সরকারিভাবে তারা লাইসেন্স নিয়ে থাকে এবং সরকার তাদেরকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য এই সুযোগটি করে দিয়েছে।

সচারচর প্রশ্ন

সেরিকালচার কাকে বলে?

বানিজিকভাবে রেশম পোকা পালন পদ্ধতিকে সেরিকালচার বলে।

রেশম পোকা কিভাবে তৈরি হই?

রেশম পোকা নিজে তৈরি হইনা এরা মূলত ডিম ফোটার মাধ্যমে তৈরি হই।

ককুন কাকে বলে ?

পলু থেকে তৈরি রেশমের আবরণকে ককুন বলে।

একটি ককুন থেকে কত লম্বা সুতা পাওয়া যায়?

একটি ককুন থেকে প্রায় ৬০০ থেকে ১০০০ মিটার লম্বা সুতা পাওয়া যায়।

রেশম শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামালের সহজলভ্যতা

রেশম শিল্পের ব্যবহৃত প্রধান কাঁচামাল হলো রেশম পোকার মুখ নিঃসৃত লালা থেকে তৈরি হয়। এই পোকা মূলত তুত গাছের পাতা খেয়ে জীবিত থাকে, তাই তুত গাছের পাতা সংরক্ষণও অত্যন্ত জরুরী। রাজশাহী অঞ্চলের আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকূলে থাকার কারণে এর কাঁচামাল সরবরাহ করতে খুব একটা বেশি কষ্ট হয় না কারণ তুত গাছ রোপন থেকে শুরু করে  এর পরিচর্যা , রেশম পোকা বড় করা বা গুটি তৈরি করা এবং সে গুটির সিদ্ধ করে মানসম্মত রং প্রয়োগ করে একটি আকর্ষণীয় শাড়ি অথবা পাঞ্জাবি বা থ্রি - পিচে পরিণত করা ।এই সবগুলো প্রক্রিয়ার জন্য কাঁচামাল খুব সহজেই হাতের নাগালে পাওয়া সম্ভব। এই কাঁচামালের সহজলভ্যতার কারণে রাজশাহী অঞ্চলে রেশম শিল্পের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

বাজারজাত করণ সহজলভ্যতা

রেশম শিল্পকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে হলে বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা সহজলভ্যতা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই বাজারজাতের মাধ্যমে একটি পণ্য এক দেশ থেকে অন্য দেশের রপ্তানি হতে পারে। এবং সে রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে । যেহেতু রাজশাহী অঞ্চল একটি বিভাগীয় অঞ্চল সেক্ষেত্রে এখানে যাতায়াত ব্যবস্থা অত্যন্ত লক্ষণীয়। বাজারজাত করনের

মধ্যে রয়েছে সঠিক মূল্য নির্ধারণ, আধুনিক প্যাকেজিং , ক্রেতা রুচিকে নজরে রেখে পোশাক তৈরি করা , আন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা । পণ্যের মান বাড়াতে আধুনিক ডিজাইন ও কালার নির্বাচন করা। অনলাইনে এবং বিভিন্ন শোরুমে এর প্রচার-প্রচারণা চালানো দেশের মধ্যে রেশম বস্ত্রের চাহিদা পূরণ করে বৈদেশিকভাবে রপ্তানি করা । 

স্বল্প মূল্যে উৎপাদন খরচ

স্বল্প মূলধনের সাহায্যে রেশম চাষ শুরু করা সম্ভব । রেশম চাষ শুরু করতে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা মূলধন প্রয়োজন হয় যা পরবর্তীতে  চাষের ওপর নির্ভর করে বাড়তেও কমতে পারে। যা কৃষক নিজে যোগাড় করতে পারে ,অথবা সে কোন আত্মীয়-স্বজন ও সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করতে পারে । 

রাজশাহী বিভাগীয় শহর হওয়ায়, এখানে কৃষি খাদে সরকারি ব্যাংকগুলো খুব সহজে ঋণ প্রদান করে থাকে । যেহেতু রেশম চাষ লাভজনক ও আত্মশ্রম নির্ভর চাষ, তাই এই চাষ করতে স্বল্পমূল্য অর্থ খরচ করতে হয় । যা প্রাথমিক পর্যায়ে শুধু তুত গাছ লাগাতে এবং রেশম পোকার ঘর বানানোর জন্য প্রয়োজন হয় । পরবর্তীতে সেচ ব্যবস্থা ও আদ্রতা ধরে রাখার জন্য ও  বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করা হয় ,যা চাষ ক্ষেত্রের খুবই লাভজনক হয়ে থাকে।

দেশীয় ও বৈদেশিক ভাবে মুদ্রা অর্জন

রেশম সুতা থেকে যে আরামদায়ক ও অভিজাত, বস্ত্র উৎপাদন হয় তা বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায় । যেহেতু রাজশাহী একটি বিভাগের শহর। সেক্ষেত্রে এর যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত তাই বৈদেশিক ভাবে রপ্তানির ক্ষেত্রে কোন ত্রুটি দেখা যায় না । তাছাড়া রেশন সুতা দিয়ে মাছ ধরার বরষী ও অস্ত্র পাচারের ব্যবহৃত সুতা তৈরি করা হয়।

 যা দেশের মধ্যে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে । এবং রেশম পোকা জমিতে সার হিসেবে ব্যবহৃত হয় ,যা জমিকে উর্বর করতে সাহায্য করে । তাই রেশম চাষ করে ভালো আয় করা সম্ভব । এভাবে আমরা দেশীয়ভাবে মুদ্রা অর্জন করে আমাদের দেশকে একটি সমৃদ্ধশীল দেশে হিসেবে পরিণত করতে পারি। এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা বৈদেশিকভাবে রেশম শিল্প বাজারজাতকরণ করতে সাহায্য করে।

উপসংহারঃ রাজশাহী কেন রেশম শিল্পের জন্য বিখ্যাত

রেশম শিল্প একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্য শিল্প । রাজশাহী অঞ্চলে  রেশম উৎপাদন একসময় ব্যাপক কর্মসংস্থানের তৈরি করে দিয়েছিল ,যেখানে পুরুষ এবং মহিলা উভয়ই নিজেদের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে নিজেদেরকে আত্মনির্ভরশীল করে করে তুলেছিল ।তবে পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতার কারণে এই শিল্প এখন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে । এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য রাজশাহী অঞ্চলের রেশম শিল্পকে আবার পুনরায় স্থানে ফিরিয়ে আনার জন্য ব্যপক কাজ করা হচ্ছে । রাজশাহী রেশ্ম শিল্প শুধু শিল্প নয় এটি একটি গ্ররবের নাম ।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সাগিরা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url