বাংলায় আর্টিকেল কিভাবে লিখতে হয়

 

একটি সুন্দর ও আকর্ষণীয় ব্লক আর্টিকেল লেখার জন্য সঠিক টপিক নির্বাচন থেকে শুরু করে এডিটিং পর্যন্ত বেশ কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হয়  । আর যেগুলোর মাধ্যমে একটি আর্টিকেল পাঠকের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। বাংলা আর্টিকেল লেখা ও পড়া পাঠকদের কাছে খুবই আনন্দের হয়ে থাকে। বক্তা তার সহজ ও সাবলীল ভাষায় পাঠকের নিকট একটি আর্টিকেলকে এমন ভাবে উপস্থাপনা করে যেখানে পাঠকের মনের সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে থাকে।

বাংলায়-আর্টিকেল-কিভাবে-লিখতে-হয়

একটি আর্টিকেলের মধ্যে লেখক বিভিন্ন রকমের তথ্য , ব্যাখ্যা  ও যুক্তি দিয়ে  পাঠককে আর্টিকেলটি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দিয়ে থাকেন। আজ আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানতে পারবো বাংলায় আর্টিকেল কিভাবে লিখতে হয় অথবা বাংলায় আর্টিকেল কিভাবে লিখলে একজন পাঠকের কাছে এটি বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে এই সম্পর্কে আজকে আমরা ধারণা নিব।

পেজ সূচিপত্রঃ বাংলায় আর্টিকেল কিভাবে লিখতে হয়

বাংলায় আর্টিকেল কিভাবে লিখতে হয়

যেহেতু আমরা তথ্য ও প্রযুক্তির যুগে বসবাস করছি সে ক্ষেত্রে মানুষের কাছে পৌঁছানোর সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হলো অনলাইন জগত। মানুষ ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন আর্টিকেল পড়ে বিভিন্ন তথ্য ও জ্ঞান লাভ করে থাকে। বর্তমানে মানুষ ইন্টারনেটে বাংলা ভাষায় কনটেন্ট বা আর্টিকেল খোজার প্রবণতা আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়ে গেছে। 

তবে শুধু মনের মাধুরী মিশিয়ে লিখলে একটি আর্টিকেলকে পাঠকের নিকট সহজভাবে উপস্থাপন করা যায় না এটির মধ্যে তথ্য , জ্ঞান ও যুক্তি থাকতে হবে। পাঠক যেন আপনার কনটেন্ট অথবা আর্টিকেলটি পড়ে বুঝতে পারে আপনি কোন বিষয় নিয়ে কাজ করছেন বা কোন বিষয়টি সম্পর্কে তাদেরকে ধারণা দিতে চেয়েছেন। আরে আর্টিকেল লিখার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হয় যে নিয়ম গুলো অনুসরণ করলে একটা আর্টিকেল পাঠকের নিকট জ্ঞান তথ্য ও সহজবোধ্যতা লাভ করতে পারে।

কীওয়ার্ড রিসার্চ ও সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন

সচরাচর মানুষ কোন কিছু খোঁজার জন্য যে শব্দ বা শব্দগুচ্ছ লিখে গুগলে সার্চ করে সেগুলোকে কিওয়ার্ড বলে। আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড রিসার্চ এবং সঠিক কিবোর্ড নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ । কীওয়ার্ড মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে -শর্টটেল কিওয়ার্ড  এবং   লংটেল কিওয়ার্ড ।

শর্টটেল কিওয়ার্ড - এটি সাধারণত এক বা দুই শব্দের হয়ে থাকে। কিন্তু এগুলোর সার্চ ভলিউম অনেক বেশি থাকে । আর প্রতিযোগিতা প্রচুর থাকে । 

লংটেল কিওয়ার্ড- এটি সাধারণত তিন শব্দের বেশি হয়ে থাকে। এগুলোর সাচ ভলিউম কিছুটা কম হলেও প্রতিযোগিতা কম । তাই নতুন ব্লগের জন্য লং টেল কি ওয়ার্ড সেরা কারণ সহজে এটি র‍্যাঙ্ক করানো যায়। আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড রিসার্চ বা  কিওয়ার্ড নির্বাচন  আপনি কীওয়ার্ড যত নিখুঁতভাবে নির্বাচন করবেন এবং ইউজারের সার্চ ইন্টেন্ট অনুযায়ী কনটেন্ট লিখবেন আপনার আর্টিকেল গুগলের রেংক করানো সম্ভাবনা অনেক অংশে বেড়ে যাবে।

সঠিক টপিক নির্বাচন

আর্টিকালের মূল বিষয়বস্তু হলো সঠিক টপিক নির্বাচন যদি সঠিক টপিক নির্বাচন করে কোন আর্টিকেল লেখা যায় তাহলে এটি পাঠকের নিকট গ্রহণ যোগ্যতা অনেক বেশি থাকে সঠিক টপিক নির্বাচন করলে পাঠকের আকর্ষণ বৃদ্ধি পায় এর পাশাপাশি স্পষ্ট টপিক নির্বাচন করলে লেখার ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হয় সে সময় খেই হারিয়ে ফেলা ঝুঁকি থাকে না । এবং  আর্টিকেল ভিউ বেশি আসে। 

আরো পড়ুনঃ পার্সিয়ান বিড়াল চেনার উপায় ও রাজশাহীর কোথায় পার্সিয়ান বিড়াল পাওয়া যাই

যদি লেখক তার পছন্দমত কোন টপিক নির্বাচন করে তাহলে, সে ক্ষেত্রে সেই লেখকের আত্মবিশ্বাস কনটেন্ট এর ওপর বেড়ে যায় । এবং একটি উন্নত মানের আর্টিকেল লেখার সম্ভাবনা অনেক অংশে বৃদ্ধি পায়। সঠিক টপিক নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা অত্যন্ত জরুরি যেমন -পাঠকের চাহিদা বোঝা, আর্টিকেলটি কতটুকু তথ্য সম্পূর্ণ সেটিকে খেয়াল রাখা, যে আর্টিকেলটি নির্বাচন করা হবে সে আর্টিকেল সম্পর্কে লেখকের জ্ঞান দক্ষতা পরিসীমা নির্ধারণ করা।

আউটলেট বা কাঠামো তৈরি

একটি মানসম্মত আর্টিকেল লেখার জন্য আউটলেট বা কাঠামো তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি । কারণ একটি আউটলেট বা কাঠামো তৈরি করে দিতে পারে আপনার আর্টিকেলটি পাঠকের নিকট কতটি গ্রহণযোগ্য হবে । এবং আপনার আর্টিকেলের মধ্যে আপনি কতটুকু তথ্য, জ্ঞান ও যুক্তি দিয়ে আর্টিকেলটি তৈরি করেছেন । 

যদি আমরা এমনভাবে চিন্তা করি যে , একটি বাড়ি বানানোর ক্ষেত্রে ভিত্তির প্রয়োজন হয় তাহলে একটি কনটেন্ট বা আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রেও একটি শক্তিশালী ভিত্তি লাগে যেটার ওপর আপনার আর্টিকেলটি অনেকাংশে নির্ভর করবে। আর কনটেন্ট বা আর্টিকেল চারটা অংশের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় যেমন আকর্ষণীয় শিরোনাম আকর্ষণীয় ভূমিকা মূল অংশ উপসংহার এই চারটি কাঠামোকে কেন্দ্র করে একটি আর্টিকেল তৈরি করা হয় ।

আকর্ষণীয় শিরোনাম বা ভূমিকা

একটি আর্টিকেল কতটুকু আকর্ষণীয় সেটি নির্ভর করে আর্টিকেলটির  শিরোনাম বা ভূমিকার ওপর। ইন্টারনেট যুগে একজন পাঠকের মনোযোগ ধরে রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর এই চ্যালেঞ্জের জয়ের মূল হাতিয়ার কাজ করে থাকে এই দুইটি।  শিরোনাম হল একটি আর্টিকেলের ফাস্ট ইম্প্রেশন । তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে ৮০ শতাংশ মানুষ কেবল শিরোনাম পড়েই চলে যায় মাত্র ২০ শতাংশ মানুষ ভেতরে লেখাগুলা পড়ে। না তাই একটি আকর্ষণীয় শিরোনাম পাঠকের মনে কৌতুহল তৈরি করতে পারে যার ফলে তিনি আর্টিকেলে ক্লিক করতে বাধ্য হবেন।

আকর্ষণীয় ভূমিকা আর্টিকেলের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । আকর্ষণীয় ভূমিকার মাধ্যমে প্রথম এক দুই লাইনের মাধ্যমে পাঠক মনোযোগ পুরোপুরি কেড়ে নেওয়া সম্ভব একে লেখার ভাষায় হুক বলে ভূমিকাতে যদি পাঠক বুঝতে পারেন যে লেখক তার সমস্যাটি সঠিকভাবে বোঝেন তবে লেখকের প্রতি পাঠকের একটি আস্থা জায়গা তৈরি হয় যার কারণে পাঠক মনোযোগ সহকারে আর্টিকেল পড়ে থাকেন।

সহজ ও সাবলীল ভাষায় লেখা

আর্টিকেলে তথ্য যত মূল্যবান হোক না কেন ভাষা যদি কঠিন বা জটিল হয় তবে পাঠক তা পড়া ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় কারণ পাঠকের নিকট সহজ ও সাবলীল ভাষা বেশি পছন্দনীয়। অতিরিক্ত কঠিন শব্দ বা জটিল ব্যাকরণ ব্যবহার করলে সাধারণ পাঠকরা লেখার মূল অর্থ বুঝতে পারেনা। যদি সহজ ভাষায় লিখলে একজন শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ সবাই খুব সহজে তথ্যটি গ্রহণ করতে পারে গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিল সবসময় মানুষের সার্চ করা ধরনকে প্রাধান্য দেয় । 

মানুষ সাধারণত গুগলে খুব সহজ ভাষায় সাধারণ শব্দ লিখে সার্চ করে ,তাই যদি কেউ কঠিন ভাষায় কনটেন্ট লিখে অথবা শিরোনাম বা ভূমিকা কঠিন ভাষায় তৈরি করে তাহলে সে ক্ষেত্রে সার্চ করার ফলাফল খুব একটা প্রাধান্য পায় না।এইজন্য একটি আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে সাধু ভাষা বা অপ্রচলিত শব্দ বাদ দিয়ে চলিত ও দৈনন্দিন জীবনে মানুষের শব্দগুলো ব্যবহার করে সেগুলো নিয়ে লেখা যাতে পাঠকের কাছে মনে হয় সে নিজের মানুষের সাথে কথা বলছে এবং তার সমস্যাগুলো সে কাছের মানুষ দ্বারা সমাধান খুঁজে পাচ্ছে।

টেবিল ব্যবহার বা বুলেট পয়েন্ট করা

একটি সাবলীল ও আকর্ষণীয় আর্টিকেল তৈরি করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন তথ্য, জরিপ , পরিমাপ ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে তাই সে ক্ষেত্রে পাঠকের বুঝার সুবিধার্থে আর্টিকেলে টেবিল বা বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে পাঠক বুঝতে পারবে যে কোন তথ্যের কি পরিমানের ফলাফল বের হতে পারে । যেকোনো বড় প্যারাগ্রাফ বা জটিল তথ্যকে ছোট ছোট টুকরোয় ভেঙ্গে উপস্থাপন করার জন্য বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করা হয় । আর্টিকেলের মধ্যে টেবিল অথবা বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করলে আর্টিকেলটির মান অনেক বাড়িয়ে দেয় এবং এটিকে প্রফেশনাল আর্টিকেল হিসেবে দেখায়।

নিজের মৌলিকতার রক্ষা করে কপি-পেস্ট না করা

নিজের মৌলিকতা রক্ষা করা বলতে , অন্যের লেখা হুবহু তুলে দিলে লেখককে নিজস্ব সৃজনশীলতা নষ্ট হয়ে যায় এবং পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা কমে যায় তাই লেখক যদি নিজের মৌলিকতা রক্ষা করে নিজে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে সেই বিষয় বস্তুগুলো নিয়ে সাজিয়ে একটি সুন্দর আর্টিকেল উপস্থাপন করতে পারে তাহলে সেটি তার নিজস্ব মৌলিকতা রক্ষা করা বোঝায়। এছাড়াও অনুমতি ছাড়া অন্যের লেখা নিজের নামে প্রকাশ করা এক ধরনের মেধায়স্থল চুরি করা বোঝায়। 

 এটি করলে আইনের জটিলতার মধ্যেওপড়তে পারে । এর ফলে লেখক আইনি ঝামেলার মধ্যে পড়তে পারে। নিজের মৌলিকতার রক্ষা করে আর্টিকেল  লেখার কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন - অন্যের ভাবার্থ ঠিক রেখে নিজের শব্দ ভান্ডার ব্যবহার করে  কনটেন্ট লেখা সম্ভব । আবার লেখায় কেবল তথ্য না দিয়ে সেই তথ্যের উপর আপনার নিজস্ব বিশ্লেষণ , চিন্তা-ভাবনা , অভিজ্ঞতা বা মতামত যোগ করতে পারেন এতে লেখা আরো উন্নত মানের হবে।

পিকচার ইমেজ তৈরি করা

আটিকেলের মধ্যে পিকচার ইমেজ তৈরি করলে আর্টিকেলটির মান আরো উন্নত হয় । লেখার আকর্ষণ যেমন বাড়ায় তেমনি পাঠকের কাছে বিষয়টি সহজবোধ্য করে তোলে। শুধুমাত্র লেখা দেখে পাঠক অনেক সময় বিরক্ত বোধ করতে পারে তাই লেখার মাঝে প্রাসঙ্গিক ছবি থাকলে তা পাঠকের চোখে আরাম দেয় এবং পুরো আর্টিকেলটিকে পড়ার আগ্রহ তৈরি করে দেয়।

অনেক সময় মানুষ গুগল ও ছবি সার্চ করে তথ্য খোঁজেন তাই আপনার আর্টিকেলের ছবি যদি সঠিক নিয়মে অপটিমাইজ করা থাকে তবে গুগল ইমেজ সার্চ থেকে আপনার ওয়েবসাইটে প্রচুর ভিজিটর আসতে পারে। আর্টিকেলটি যখন ওয়েবসাইট বা অন্য কোন যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা হবে তখন তার ফিচার ইমেজটি যদি সুন্দর হয় তাহলে মানুষ সেই ফিচার ইমেজ এর লিংক এর মাধ্যমে আপনার আর্টিকেলটি পড়ার আগ্রহ জন্মাবে। তাই আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে ফিচার ইমেজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

পার্মালিঙ্ক ব্যবহার করা 

বাংলা আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে পার্মালিঙ্ক বা ইউআরএল কাস্টমাইজেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় পারমালিনক হল একটি আর্টিকেলের স্থায়ী ওয়েব ঠিকানা এটি কেবল একটি লিংক নয় বরং সার্চ ইঞ্জিল এবং পাঠক উভয়ের কাছেই আর্টিকেলের প্রথম পরিচিতি । বাংলায় আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে পার্মানিং করার সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আর্টিকেল বাংলায় হইলেও পার্মানিং  করার সময় ইংরেজি অক্ষর লেখা উচিত কারণ বাংলার পার্মানেন্ট দিলে সেটি ফেসবুক বা অন্য কোথাও শেয়ার করার সময় ভেঙ্গে যেতে পারে।

মেটা ডেসক্রিপশন তৈরি করা

মেটা ডেসক্রিপশন যেকোনো ওয়েবসাইটের এসইও এবং গুগল সার্চ এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ । সার্চ ইঞ্জিনে কোন কিছু লিখে সার্চ করলে লিংকে নিচে যে ২-৩ লাইন সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেখা যায় সেটাকে মেটা ডেসক্রিপশন বলা হই। বাংলা আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অত্যন্ত লক্ষণীয় । সার্চ   রেজাল্টে আর্টিকেল দেখে পাঠক প্রথমে মেটা  ডেসক্রিপশনটি পড়েন।
 এবং ডেসক্রিপশনটি আকর্ষণীয় হলে পাঠক লিংকে ক্লিক করে আর্টিকেলের প্রবেশ করার সিদ্ধান্ত নেই। এইটা বিজ্ঞাপনের মতোই কাজ করে যা ফ্রিতে ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাট ট্রাফিক বাড়িয়ে দেয়। শুধু তাই নয় এটি পাঠকের চোখের দ্রুত করে এবং তারা বোঝে যে এ আর্টিকেলটি পড়লে তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত তথ্য ও জ্ঞান পেয়ে যাবে। একটি আদর্শ মেয়েটা ডেসক্রিপশন সাধারণত ১৫০ অক্ষরের হয়ে থাকে এতে অবশ্যই আর্টিকেলের মূল ফোকাস কীওয়ার্ড থাকতে হবে তাহলে এটি পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বেশি পাবে।

পরিশেষ ও উপসংহার ব্যবহার করা

যে কোন প্রবন্ধ অথবা বাংলা আর্টিকেলের জন্য পরিশেষ বা উপসংহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ । একটি মানসম্মত আর্টিকেলের ক্ষেত্রে লেখার শুরু এবং শেষ যদি নিখুঁত না হয় তবে পাঠক পুরো বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে পারে না। পুরো আর্টিকেলে যা আলোচনা করা হয়েছে উপসংহারের মাধ্যমে এটি সংক্ষিপ্ত সারমর্ম তুলে ধরা হয়।  কোন সমস্যা নিয়ে আর্টিকেলে লেখা হলে উপসংহারের  তার একটি যৌক্তিক সমাধান লেখক তুলে ধরে। উপসংহার হল পুরো আর্টিকেলের শেষ কথা বা সমাপ্তি এটি ছাড়া যেকোন লেখায় অসমাপ্ত এবং অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই আর্টিকেলের শুরুর দিকে যেমন আকর্ষণীয় শিরোনাম দরকার ঠিক তেমনি আর্টিকেলের শেষের দিকে আকর্ষণীয় করি শেষ ও উপসংহার ব্যবহার করার দরকার রয়েছে।

উপসংহারঃ বাংলা আর্টিকেল কিভাবে লিখতে হয়

বাংলা আর্টিকেল লেখার কিছু নিয়ম শৃঙ্খলা ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা একটি কনটেন্ট অথবা আর্টিকেলকে পাঠকের কাছে সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলে। ওপরে আলোচনা থেকে আমরা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানলাম একটি কন্টেন্ট বা আর্টিকেল লিখতে কি কি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরী । 

এবং কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখলে আমরা আমাদের কনটেন্ট কে সুন্দর ভাবে পাঠকের কাছে উপস্থাপনা করতে পারব। তথ্য ও প্রযুক্তির যুগে মানুষ অনলাইনে ঘরে বসে বিভিন্ন তথ্য আদান- প্রদান ও কনটেন্ট বা আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে ইনকাম করে চলেছে। একটি মানসম্মত আর্টিকেল হতে পারে আপনার জীবনের সে কাঙ্খিত সফলতা যা দিয়ে আপনি আপনার আগামী ভবিষ্যতের পথ সুগম করতে পারবেন।




এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সাগিরা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url