১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে ভাল মোবাইল ফোন

 

আধুনিক সভ্যতার মানবজাতির সবচেয়ে প্রভাবশালী আবিষ্কার গুলোর মধ্যেই স্মার্টফোন উন্নতম। এটি কেবল যোগাযোগের মাধ্যমে নয় বরং বর্তমান যুগের প্রতিটি মানুষের জীবন এক অপরিহার্য অংশ হিসেবে গড়ে উঠেছে ।

১৫-থেকে-২০-হাজার-টাকার-মধ্যে-সেরা-মোবাইল-ফোন

 সকলে ঘুম থেকে শুরু করে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিমুহূর্তে স্মার্টফোনের উপস্থিতি অস্বীকার করার মত নয় । বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার হাত ধরে সাধারণ মোবাইল ফোন আজ রূপান্তর হয়েছে একটি পকেট কম্পিউটারে যা পুরো পৃথিবীকে এনে দিয়েছে মানুষের হাতের মধ্যে।  মানুষ এখন সাধ্যের মধ্যে উন্নত ও টেকসই মানের স্মার্টফোন খুঁজছে।

পেজ সূচিপত্রঃ ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মোবাইল ফোন

১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মোবাইল ফোন

স্মার্টফোন আমাদের দৈনিন্দ্য জীবনকে যেমন অবিশ্বাস্যভাবে সহজ করে তুলেছে ,ঠিক তেমনি গতিশীল এবং আধুনিক করেও তুলেছে । তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে মানুষই স্মার্টফোন ছাড়া একদিনও অতিবাহিত করার কথা চিন্তা করতেও পারে না । বর্তমান ডিজিটাল যুগে বিশ্বের মানব কল্যাণের এর সঠিক ও ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।  বর্তমান বাজারে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে মোবাইল ফোন গুলো কোম্পানির শুধু একটি লক্ষ্যে তারা কাজ করে চলেছে। তারা অত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে 4g এবং 5g প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এ বাজেটের ফোনগুলো তৈরি করে চলেছে। অনেক তরুণ তরুণী বা শিক্ষার্থী যারা দামি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার কিনতে পারেনা , তারা এই ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার ফোন দিয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েশন, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ফেসবুক ভিত্তিক অনলাইন ব্যবসা সফলভাবে পরিচালনা করে চলেছেন। ১৫থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে বাজারে অনেক উন্নত ও আকর্ষণীয় ফোন পাওয়া যায় এর মধ্যে Realme note 7, Samsung Galaxy a07,Oppo A3 ,Xiaomi redmi note 14 , Realme c71,Vivo Y 04 এগুলোর ফিচার ও কার্যকারিতা ব্যাপকভাবে মানুষদের আকর্ষণ করে চলেছে এগুলো একেকটি একেক ভ্যারিয়েন্টের হয়ে থাকে।

Realme note 7 (রিয়েলমি নোট ৭)

শাওমি কোম্পানি২০১৯ সালে প্রথমে ফোনটি বাজারে এনেছেন।৬.৩ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে । এর সুরক্ষা ব্যবহার করা হয়েছে মজবুত গরিলা গ্লাস । এতে রয়েছে ৬৬০ প্রসেসর।  সাধারণত প্রতিদিন কাজ ব্রাউজিং এবং সাধারণ গেমিং এর জন্য এটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য।

 পেছনের ক্যামেরা আর ৪৮ এম পি +৫ এম পি এবং ক্যামেরা সেটআপ এবং সামনে ১৩ এমপি সেলফি  ক্যামেরা । দিনের আলোতে এটি দিয়ে চমৎকার ডিটেলিং ছবি তোলা যায় ।৪০০০ এম এ এইচ ব্যাটারি এবং ১৮ ভোল্টের ফার্স্ট চার্জিং সুবিধা রয়েছে ।বর্তমানে ৪ জিবি /৬৪ জিবি /৬ জিবি /১২৮ জিবি)  ১৫ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

Oppo A6x (অপোর এ ৬ এক্স)

অপোর এ৬এক্স একটি  অত্যন্ত চমৎকার বাজেট বান্ধব স্মার্টফোন । যা মূলত এর ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং দীর্ঘস্থায়ী পারফরমেন্সের জন্য বাজারে বেশ আলোচিত হয়ে আসছে।  ফোনটিতে সাধারণত 4g এবং 5g উভয়ে ভ্যারেন্টি পাওয়া যায় । ফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৫ ইঞ্চির এইচডি আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে । ১২০HZ হাই  রিফ্রেস রেট সাপোর্ট করে । যার ফলে স্কলিং খুবই স্মুথ হয় । এর সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতা ১১২৫ পরিষ্কার দেখা যায় । 

আরো পড়ুনঃকিসমিস ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

এই ফোনটিতে রয়েছে ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স যা ধুলোবালি এবং পানি হালকা ছিটকা পড়লে ফোনকে রক্ষা করে।  প্রতিদিন কাজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার এবং হালকা গেমিং এর জন্য এটি অত্যন্ত চমৎকার । এর ব্যাক প্যানেল এ রয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা এবং সাথে একটি সেকেন্ডারি লেন্স রয়েছে। এটি দিয়ে দিনের আলোতে স্পষ্ট ছবি তোলা যায়।  সেলফি এবং ভিডিও কলিং এর জন্য এটি একটি ৫ মেগাপিক্সেলের ফন্ট ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। এটি ৫জি ব্যাটারি ৪৫ ভোল্টের ফার্স্ট চার্জিং সাপোর্ট করে ,যা খুব দ্রুত চার্জ করতে পারে । এটি দিয়ে রিভার্স চার্জিং ও করা সম্ভব।বর্তমানে ৪ জিবি /৬৪ জিবি /৬ জিবি /১২৮ জিবি) ১৫থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

Samsung galaxy a164g(স্যামসাং গ্যালাক্সি এ১৬ ৪জি)

চমৎকার ডিসপ্লে ও বিশ্বস্ত চিপসেট এবং দীর্ঘমেয়াদি সফটওয়্যার সাপোর্টের কারণে সাধারণত ব্যবহারকারীদের কাছে এ ফোনটি অত্যন্ত পছন্দনীয় । এই  ফোনটিতে রয়েছে ৬.৭ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে ,ফলে এর কালার আউটপুট ও ব্যাক লেভেল খুবই নিখুঁত এবং মুভি ও ভিডিও দেখার জন্য উন্নত মানের । এতে ৯০HZরিফ্রেশ রেট দেওয়া হয়েছে যা কনটেন্ট স্কুলিং ও সাধারণ অ্যানিমেশন কে বেশ স্মার্ট ভাবে দেখা যায় । এর  থিকনেস মাত্র ৭.৯ মিমি যা ফোনটিকে হাতে ধরার জন্য বেশ কমফোর্টেবল করে । 

এছাড়া ধুলোবালি এবং পানির হালকা ছিটকে পড়া থেকে বাঁচতে এতে আইপি 54 রেটিং রয়েছে । প্রতিদিন কাজ সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং এবং মাঝে এ ধরনের গেমিং খুব সহজে খেলা যায় ।  এর ব্যাক প্যানেলে রয়েছে ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ মেইন ক্যামেরাটি ৫০ মেগাপিক্সেলের যা দিনের আলোতে চমৎকার ও ডিটেল ছবি তুলতে পারে । সাথে রয়েছে একটি ৫এমপি আল্ট্রাওয়াড লেন্স এবং একটি ২ এমপি মাইক্রোলেন্স । সেলফি এবং ভিডিও কলিং এর জন্য সামনে একটি ১৩ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে । ফোনটিতে দেওয়া হয়েছে ৫০০০ ব্যাটারি।বর্তমানে (৪ জিবি /৬৪ জিবি /৬ জিবি /১২৮ জিবি) ১৭,৯৯৯ থেকে ১৯,৪৯৯ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

Motorola moto g45(মটোরোলা মটো জি৪৫)

আপনি যদি ফাস্ট ও দ্রুত কোন স্মার্টফোন চাচ্ছেন তাহলে আপনার পছন্দের তালিকায় motorola moto g45 (মটোরোলা মটো জি৪৫)স্মার্ট ফোনটি থাকতে পারে । ফোনটিতে রয়েছে ৬.৫ ইঞ্চির আইপিএস এলসিডি স্ক্রিন ।এটিতে স্মুথ ইসকলিং এর জন্য১২০HZ  রিফ্রেশ রেট রয়েছে।  স্কিনের সুরক্ষায় ব্যবহার করা হয়েছে গরল্লা গ্লাস। পেছনে রয়েছে ওয়ার্ড প্রযুক্তির ৫০ এমপি প্রধান ক্যামেরা এবং মাইক্রো লেন্স সেলফি জন্য রয়েছে ১৬ এম পি ফন্ট ক্যামেরা । ফোনটিতে দেওয়া হয়েছে 5000 ব্যাটারির ও ফার্স্ট চার্জিং সুবিধা ।৮ জিবি ram এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে আনঅফিসিয়াল দাম শুরু হয় প্রায় ১৬,৯৯৯ থেকে ১৯,৯৯৯ টাকার মধ্যে।

আরো পড়ুনঃজন্মতারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে

Infinix hot 60 Pro(ইনফিনিক্স হট ৬০ প্রো)

Infinix hot 60  Pro(ইনফিনিক্স হট ৬০ প্রো) একটি বাজেট ফ্রেন্ডলি ও উন্নত মানের স্মার্টফোন এই ফোনটিতে ৬.৬ মিমি উল্টা এবং এর ওজন মাত্র ১৭০ গ্রাম যা হাতে ধরলে দারুণ প্রিমিয়াম ও লাইট ওয়েট ফিল্ড দেয় ।এতে রয়েছে ৬,৭৮ ইঞ্চি ডিসপ্লে। ডিসপ্লেটি ১৪৪HZ  রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে যা গেমিং বা ইস্কলিং এর মাখন এর মত কাজ করে। স্কিনের সুরক্ষায় দেয়া হয়েছে গরিলা গ্লাস। ফোনটিতে শক্তি জোগাতে ব্যবহার করা হয়েছে লেটেস্ট চিপসেট। এর ব্যাক প্যানেল এ স্কয়ার আকৃতি ক্যামেরা আইল্যান্ডে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের আলট্রা ক্লিয়ার মেইন ক্যামেরা দিনের আলোতে এটি দিয়ে চমৎকার ডিটেলস সহ ছবি তোলা যায় সেলফি এবং ভিডিও কলিং এর জন্য সামনে একটি 8 মেগাপিক্সেল বা ১৬ মেগা পিক্সেলের ফন্ট ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। ফোনটি এত পাতলা হওয়ার সত্ত্বেও এতে দেওয়া হয়েছে ৫১৬০ এর শক্তিশালী ব্যাটারি।৮ জিবি ram এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে আনঅফিসিয়াল দাম শুরু হয় প্রায় ১৮,৯৯৯ থেকে ২০,০০০ টাকার মধ্যে।

Vivo Y 04 (ভিভো অয়াই ০৪)

যারা শক্তিশালী ব্যাটারি এবং দীর্ঘস্থায়ী মজবুত বিল্ড কোয়ালিটি একটি ফোন চাচ্ছেন তাদের জন্য এই ফোনটি দারুন হতে পারে। ফোনটিতে রয়েছে ৬. ৭৪ ইঞ্চির আইপিএস এলইডি ডিসপ্লে । মুভি দেখা ইউটিউবএ ভিডিও দেখা , গান উপভোগ করা , ফেসবুক স্কুলিং এর জন্য এই ফোনটি খুবই চমৎকার। এতে ৯০ HZ রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট রয়েছে । এর ফলে টাচ রেসপন্স এবং স্কিনস্কুলিং বাজেট অনুযায়ী বেস্ট স্মুথ অনুভুতি দেয় । এই ফোনের অন্যতম বড় প্লাস পয়েন্ট হল এর বিল্ড কোয়ালিটি । এর ব্যাক প্যানেল এ রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশ সহ ১৩ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা এবং একটি সেকেন্ডারি লেন্স। দিনের আলোতে সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া আপলোড করার মতো ছবি তোলা সম্ভব।  সেলফি এবং ভিডিও কল করার জন্য সামনে রয়েছে একটি ৫ মেগাপিক্সেলের ফন্ট ক্যামেরা ফোনটির প্রধান আকর্ষণ হল এর ৫৫০০ এর বিশাল ব্যাটারি । একবার ফুল চার্জ দিলে সাধারণত ২ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবে।বর্তমানে ৪ জিবি /৬৪ জিবি /৬ জিবি /১২৮ জিবি) ১৫থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

Realme c71(রিয়েলমি সি ৭১)

যারা ১৫ থেকে ২০ হাজারের মধ্যে ভালো মানের ফোন চাচ্ছেন তাদের জন্য realme c71(রিয়েলমি সি ৭১) একটি চমৎকার স্মার্টফোন হতে পারে । এর দানবীয় ব্যাটারি ,ব্যাকআপ  ,স্মুথ ডিসপ্লে সবার আকর্ষণ কেড়েছে। ফোনটিতে রয়েছে 6. 67 ইঞ্চির আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে । কন্টেন্ট ব্রাউজিং ও স্কলিং আরও স্মুথ করতে এতে 120 HZ হাই রিফ্রেশ রেট এবং আই কমফোর্ট ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এর ব্যাক প্যানেল রয়েছে লাইট ফিচার ডিজাইন এবং নোটিফিকেশনে জন্য একটি বিশেষ প্লাস লাইট।

 ফোনটি অনেক স্লিম এর থিকনেস মাত্র ৭.৭৯ মিমি। এর ব্যাক প্যানেল এ রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশ সহ ৫০ মেগাপিক্সেলের এ আই মেইন ক্যামেরা। এবং সাথে একটি সেকেন্ডারি ডেপথ লেন্স রয়েছে। দিনের আলোতে এটি  দিয়ে চমৎকার ডিটেলসহ প্রাণবন্ত ছবি তোলা যায় ও ভিডিও রেকর্ড করা যায়। এই ফোনে সবচেয়ে বড় মূল আকর্ষণ হল এর ৬৩০০ এর বিশাল ব্যাটারি।(বর্তমানে ৪ জিবি /৬৪ জিবি /৬ জিবি /১২৮ জিবি) ১৫থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

 Xiaomi redmi note 14(শাওমি রিদ্মি নোট ১৪)

শাওমি বহুল জনপ্রিয় নোট সিরিজের একটি অলরাউন্ডার বাজেট ফ্রেন্ডলি স্মার্টফোন। আকর্ষণীয় ডিজাইন ,চমৎকার ডিসপ্লে এবং নির্ভরযোগ্য পারফরমেন্সের কারণে বাংলাদেশের বাজারে এটির জনপ্রিয়তা ব্যাপক । ফোনটিতে রয়েছে ৬.৬৭ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে ।  ফলে মুভি দেখা বা ভিডিও কনটেন্ট উপভোগ করার জন্য এটি একটি চমৎকার মাধ্যম হতে পারে । এটি ১২০HZ হাই রিফ্রেশ রেট  সাপোর্ট করে যার কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্কুলিং বা গেম খেলার সময় স্কিন খুবই মসৃণ থাকে ।

আরো পড়ুনঃ ঘরে বসে ৪০০০ হাজার টাকা ইনকাম  করুন প্রতি সপ্তাহে 

এর প্রধান আকর্ষণ হল এর ৫০ মেগাপিক্সেল বা ১০৮ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা এই ক্যামেরার কারণে ছবি তোলার সময় হাত কাঁপলেও ছবি বা ভিডিও খোলা হয় না । সাথে  মাইক্রো লেন্স রয়েছে সেলফি এবং ভিডিও কলের জন্য সামনে একটি ১৬ মেগাপিক্সেল বা ২০ মেগাপিক্সেলের ফন্ট ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। ফোনটিতে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী ৫১১০ শক্তিশালী ব্যাটারি একবার ফুল চার্জ দিলে সাধারণত ব্যবহার অনায়াসে ১.৫ দিন পর্যন্ত ব্যাকআপ পাওয়া যায়।(বর্তমানে ৪ জিবি /৬৪ জিবি /৬ জিবি /১২৮ জিবি) ১৫থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

 Oppo A3(অপোর এ ৩)

খুবই মজবুত , বিল্ড  ,কোয়ালিটি  ,দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি এবং ফার্স্ট চার্জিং সুবিধা খোঁজেন তাহলে  Oppo A3(অপোর এ ৩) আপনার জন্য লাভজনক স্মার্টফোন হতে পারে । এই ফোনের সবচেয়ে বড় হাইলাইট হলো এর স্থায়িত্ব এটি হাত থেকে পড়লেও ফেটে যাওয়া বা ভেঙ্গে যাওয়ার ভয় থাকে না । এর ডিসপ্লে এতই শক্তিশালী যে সহজে ভাঙে না। ধুলোবালি এবং পানির হালকা ছিটকে পড়া থেকে ফোনটিতে আইপি ৫ রেটিং দেওয়া হয়েছে । ভেজা হাত দিয়ে এই স্কিন ধরলেও ফোনটি নিখুঁতভাবে টাচ রেসপন্স করে। 

ফোনটিতে রয়েছে ৬.৬৭ ইঞ্চির আইপিএস এলইডি ডিসপ্লে ।  ব্যবহারের অভিজ্ঞতা মজবুত করতে এতে দেওয়া হয়েছে ৯০HZ হাই রিফ্রেশ রেট ।  এর ব্যাক প্যানেলয়ে এলইডি ফ্ল্যাশ সহ ৫০ মেগাপিক্সলের এ আই মেইন ক্যামেরার রয়েছে । দিনের আলোতে এটি দিয়ে বেশ সুন্দর ও প্রাণবন্ত ছবি তোলা যায় । সেলফি তোলা এবং ভিডিও কলের জন্য সামনে একটি ৫ মেগা পিক্সেলের ফন্ট ক্যামেরাও রয়েছে। ফোনটি দেওয়া হয়েছে দীর্ঘস্থায়ী .৫০০০ শক্তিশালী ব্যাটারি। কবার ফুল চার্জ দিলে সাধারণত ব্যবহার অনায়াসে ১.৫ দিন পর্যন্ত ব্যাকআপ পাওয়া যায়।  ৬ জিবি রেম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ  ভেরিয়েন্ট অফিসিয়াল মূল্য ১৮৯৯০ টাকা।

 Samsung Galaxy a07(স্যামসাং গ্যালাক্সি এ ০৭)

যারা ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে ব্যান্ড ভ্যালু , দীর্ঘমেয়াদি সফটওয়্যার আপডেট এবং স্থিতিশীল পারফরম্যান্স চান তারা samsung galaxy a07 স্মার্ট ফোন নিতে পারেন । ফোনটিতে রয়েছে ৬.৭ ইঞ্চির বড় ডিসপ্লে । এর কালার  আউটপুট ও ব্রাইটনেস বাজেট অনুযায়ী বেশ চমৎকার যা ইউটিউব বা অটিটি প্লাটফর্মে ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতা আনন্দদায়ক করে তুলবে । এর ব্যাক প্যানেলে স্যামসাংয়ের সিগনেচার মিনিমাম ট্রিপল ক্যামেরা লেআউট এবং ফিল্ম বডি ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে ,যা হাতে ধরলে বেশ প্রিমিয়াম ফিল হয়। 

 এর প্রধান আকর্ষণ হল এর ৫ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি মেইন ক্যামেরা। samsung এর ইমেজ প্রসেসিং ভালো হওয়ায় দিনের আলোতে এটি দিয়ে চমৎকার কালার ও ডিটেলস সহ প্রাণবন্ত ছবি তোলা সম্ভব।  সেলফি এবং ক্লিয়ার ভিডিও কলের জন্য সামনে একটি নির্ভরযোগ্য ফন্ট ক্যামেরা দেয়া হয়েছে। ফোনটিতে দেওয়া হয়েছে দীর্ঘস্থায়ী ৫০০০ শক্তিশালী ব্যাটারি সাধারণত ব্যবহার।(বর্তমানে ৪ জিবি /৬৪ জিবি /৬ জিবি /১২৮ জিবি) ১৫থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

উপসংহারঃ ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা মোবাইল ফোন

বাংলাদেশের বাজারে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার বাজেটের ক্যাটাগরিতে স্মার্টফোন সবচেয়ে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এই বাজেটের ব্র্যান্ডগুলো এখন এমন সব প্রিমিয়াম ফিচার তৈরি করছেন যা উপরের বিস্তারিত আলোচনা থেকে আমরা ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে বিভিন্ন ফোন এবং এর কার্যকারিতা সম্পর্কে জানতে পারলাম ।

 যা আজ থেকে দুই তিন বছর আগেও কল্পনা করা যায়নি সামগ্রিক আলোচনার উপর ভিত্তি করে এর বাজেট রেঞ্জের ফোন গুলো সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষেও নেয়া সম্ভব । যারা একটি ফোন কিনে আগামী বছর নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে চান তাদের জন্যএ ফোন গুলো একটি অপশন হতে পারে।



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি সাগিরা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url